১৩ ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব বেতার দিবস :বিশেষ প্রতিবেদন।

কলমে শ্রেষ্ঠা প্রামানিক

রেডিও এমন একটি মাধ্যম যেটির মাধ্যমে কোন তথ্য খুব সহজেই শ্রোতাদের কাছে পৌঁছানো যায়।কিন্তু এই আধুনিকতার ভিড়ে স্মার্টফোন এবং বোকা বাক্সের অতিমাত্রায় ব্যবহারের সুবাদে এই বেতার ব্যবহারট মানুষ করে না বললেই চলে, এখনকার নতুন প্রজন্ম এ বেতার যন্ত্রটি ব্যবহার তো প্রায় ভুলেই গেছে। এখনকার বেশিরভাগ মানুষ রেডিও বলতে যেটা বোঝেন এফএমএ কিছু গান শুনে নেওয়া ,বা কোনো সেলিব্রেটির সাক্ষাৎকার।কিন্তু এই বেতার মাধ্যমটি কিছু বছর আগেও মানুষের একাকিত্বের সঙ্গী হয়ে থেকেছে।

সেই কারণেই এই বেতার মাধ্যমটির ব্যবহার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়িয়ে তুলতে UNESCO এর সদস্য দেশ গুলির দ্বারা প্রথম ২০১১ সালে ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে ২০১২ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা আন্তর্জাতিকভাবে এই দিনটি ঘোষণা করা হয়েছিল। বিশ্ব বেতার দিবসের মূল উদ্দেশ্য এই মাধ্যমটির সম্পর্কে প্রচার করা যাতে করে এই বেতার মাধ্যমটি মানুষজন বেশি Access করে। সেই সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং আরো বেশি লোককে এটি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করা ।
national_01

সেই সচেতনতামূলক কাজটি প্রতিবছর দায়িত্ব সহকারে পালন করে চলেছেন আমাদের পশ্চিমবঙ্গের ওয়েস্টবেঙ্গল রেডিও ক্লাবের(অ্যামেচার রেডিও) সম্পাদক অম্বরীশ নাগ বিশ্বাস এবং ওই ক্লাবের সদস্যরাও। অম্বরিশ বাবুরাও চান এখনকার প্রজন্মের তরুণ ছেলে মেয়েরা আরো বেশি করে রেডিও শুনুক এবং রেডিওর ব্যবহার সম্পর্কে জানুক। তারাও এগিয়ে আসুক এই ওয়েস্টবেঙ্গল রেডিও ক্লাবের সদস্য হতে। সে কথা মাথায় রেখেই শুরু হয়েছে ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ কমিউনিকেশন এন্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এর ট্রেনিং কোর্স। ন্যূনতম খরচেই সেখানে কাজ শিখছেন ১২ থেকে ৮০বছরের ছাত্র ছাত্রীরা প্রশিক্ষণ নিয়ে ভারত সরকারের ছাড়পত্র পেলেই এই বেতার যন্ত্রটির ব্যবহারের দরজা খুলে যাবে এর থেকে আনন্দের জিনিস আর কিছুই হয় না।

national_03
পৃথিবীর বড় বড় প্রতিকূলতা(ফণী ,আমফান) কাছে যখন সব আধুনিকতর মাধ্যম মাথা নত করে নেয়, ঠিক তখনই এই ওয়েস্ট বেঙ্গল হ্যাম রেডিও ক্লাবের সদস্যরা স্যাটেলাইট এর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে তৈরি করেন এক নতুন জন সংযোগ যার নাম ইথার তরঙ্গ

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *