পৃথিবীতে খোঁজ মিলল এক নতুন ধাতুর।:Latest & Breaking News

বিশেষ প্রতিবেদন,২২শে ফেব্রুয়ারি

এই বিশ্বের উন্নতশীল গতিকেও করোনার প্রকোপে মাথানত করতে হয়েছে প্রযুক্তিগত বিভিন্ন বিভাগের উন্নয়ন পুরো বন্ধ হয়েছে কিন্তু থেমে থাকেনি বিজ্ঞান এত খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে কিছু খবর যেগুলো শুনলে মনে হয় বিশ্ব প্রকৃতি তার নিয়ম এগিয়ে চলছে ঠিকই।

১৯৫২ সালের ১ নভেম্বর প্রশান্ত মহাসাগরের একটি ছোট্ট দ্বীপে প্রথম হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল । হাইড্রোজেন বোমার ধ্বংসাবশেষ থেকে এই ধাতুর সন্ধান পাওয়া যায়।ক্যালিফোর্নিয়ার Berkeley Laboratory তে একদল বিজ্ঞানী এই ধাতুটিকে হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরক পদার্থ থেকে খুঁজে বার করেন।এই ধাতুটিকে বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের নাম অনুযায়ী নামকরণ করা হয় (Einstenium) আইনস্টেনিয়াম। Einstenium একটি কৃত্রিম উপাদান (synthetic element)।যার পারমানবিক সংখ্যা ( atomic number) 99 (৯৯) এবং রসায়নবিদ্যার পিরিওডিক টেবিলে (periodic table) ধাতুটিকে Es symbol দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে।সেই সময় থেকেই এই Radioactive ধাতুটির সম্পর্কে পুরোপুরি ভাবে জানতে বিভিন্ন বিজ্ঞানীরা রিসার্চ করে চলেছেন।তখন এই ধাতুটির মধ্যে সক্রিয় এলিমেন্ট (active element) এতটাই ছিল যে ধাতুটি প্রচন্ড পরিমানে Radioactive ছিল, যার ফলস্বরূপ কোন প্রয়োগ করা যাচ্ছিল না।কারণ এই আইনস্টেনিয়াম(Einstenium) ধাতুর থেকে যে তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণ হয় যা আশেপাশে জন্য খুবই ক্ষতিকারক ।যে সমস্ত বিজ্ঞানীরা  এই ধাতু নিয়ে কাজ করছিলেন তাদের জীবন হানির ভয় রয়ে যেত।

international_06

এবার বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল পেপার সামনে এসেছে ।সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী ,১৯৫২ সালে যে হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল যা হিরোশিমা ও নাগাসাকির পরমাণু বোমা বিস্ফোরণের তুলনায় ৫০০ গুণ বেশি জোরালো।যে সমস্ত বিজ্ঞানীরা এই ধাতু দেখেছেন , তারা এই ধাতুটির বর্ণনা দিয়েছেন এর রঙ রুপোর মত চকচকে। আইনস্টেনিয়াম ধাতুটি খুবই নরম , পাশাপাশি অন্ধকার হলে এই আইনস্টেনিয়াম ধাতুটির থেকে নীল রঙের আলো বিচ্ছুরিত হয়।খুব দ্রুত Radioactive ধাতু টিকে বেশিক্ষণ দেখা যায় না। এই আইনস্টেনিয়াম ধাতুটি Radioactive হওয়ায় রাসায়নিকভাবে এই ধাতুর প্রয়োগ সম্ভব এ ব্যাপারে প্রচন্ড আশাবাদী বিজ্ঞানীরা।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *