জীব সেবায় উৎসর্গীকৃত প্রাণ,GOD MAN চন্দন কুণ্ড।

বিশেষ প্রতিবেদন,১২ মার্চ

ভাবতে গর্বের চেয়েও বেশি আমার ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ মনে হয়, এমন ঐশ্বরিক শরীরটিকে আমাদের পাশে রেখেছেন । দিন-মাস নয়, বছরের পর বছর সন্তান স্নেহে এদের যত্ন নিয়ে চলেছেন। লকডাউনের পর থেকে দিনে পাঁচ বেলা। রোদ,শীত তো বটেই বর্ষার সময়েও রাত এগারোটায় হাঁটু জল পেরিয়ে দুহাতে খাবার ওষুধ নিয়ে বেরোতে দেখেছি। একদিনও বাদ নেই।

district_10

উচ্চ শিক্ষিত এই মানুষটি ইঞ্জিনিয়ারিং এর অধ্যাপনা করেছেন, নামী তথ্য প্রযুক্তি সংস্থায় উচ্চ পদে রয়েছেন, হেলায় বহুবার বিদেশযাত্রা কে উপেক্ষা করেছেন এদের ছেড়ে যাবেননা বলে। নিজের দুপা, চারচাকা, দুচাকা সবই ওদের জন্য উৎসর্গ করেছেন। সকাল থেকে আয়োজন চলে। 3 হাঁড়ি ভাত, দু কেজি মাংস রোজ রান্নার ব্যবস্থা করে বেড়িয়ে পড়েন খড়দহের নতুন বাজারের সন্তান সামলাতে, তারপরে পাড়াতেই আম্ফানে আঘাত পাওয়া একটি কে পরম যত্নে খাবার ওষুধ ও ব্যায়াম করিয়ে বাইক নিয়ে এক বস্তা পার্লেজি’র প্যাকেট, ভাত-মাংস, ওষুধ নিয়ে দুপুর বারোটায় বিটি রোড থেকে গঙ্গার ঘাট পর্যন্ত চলে সেবা। ওনার বাইকের হর্ণ শুনে কিভাবে যে সব এ প্রান্ত ওপ্রান্ত থেকে লেজ নাড়াতে নাড়াতে সব ছুটে ছুটে আসে, সে এক দেখার বিষয়। বিকেলে রেল লাইন ধার, রাতে পাড়ার সব্বাই কে। একটি পয়সাও কারো কাছ থেকে না নিয়ে
দিনের পর দিন নিজের অর্থ, শরীর, জ্বর, অসুখ সব কিছু কে উপেক্ষা করে, কাজের জায়গা ঠিক রেখে কি ভাবে যে পেরে ওঠেন… হয়তো ঈশ্বর বলেই।

  পলাশ অধিকারী

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *