জুতোর দামের চেয়ে ও মানুষের মূল‍্য সস্তা।

বিশেষ প্রতিবেদন, ৩০ মার্চ

ভোটের দামামা বেজে গেছে এরমধ‍্যে শোনা যাচ্ছে নেতাদের মুখে নানান প্রতিসূতি।এরমধ‍্যে দেখা গেলো একটি খুব ই কষ্টের ছবি।একটি ছেলে হাতে প্লেকাট নিয়ে লেখা আছে,জুতোর বিজ্ঞাপনে জুতোর যে দাম লেখা আছে,“জুতোর দামের চেয়েও সস্তা হলো মানুষের দাম….”।

ভোটের মুখে রাজনৈতিক নেতারা এখন যেন সার্কাস করছে বলে মনে হচ্ছে, তারা নাকি মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান মানুষের সেবা করবে বলে ,কিন্তু মানুষের পাশে সঠিক সময়ে কাউকেও দেখা যায় না।নেতারা একবার ও ভাবেও না করে ও না বেকার দের রোজগারের ব‍্যবস্থা ।তাই আমাদের পশ্চিমবঙ্গে বেকার যন্ত্রনায় জ্বলছে গোটা যুবক সম্প্রদায়।গরিব বাড়ির ছেলেরা বহু কষ্টে পড়াশুনা করে বেকার হয়ে আছে।সেদিকে কারোর ভ্রুক্ষেপ নেই।এরমধ‍্যে দেখা গেলো একটি যুবক ছেলেকে যে এই গরমের মধ‍্যে দাঁড়িয়ে আছে,সাথে একটি প্লাকার্ড তাতে লেখা “জুতোর দাম ,তার থেকে সস্তা মানুষের দাম”।ছেলেটির বয়স ২১ বছর গ্ৰাজুয়েট হয়েও বেকারত্বের জ্বালায় লড়াই করে চলেছে।ছেলেটি নন্দীগ্ৰামের বাসিন্দা।এই শিক্ষিত বেকার যুবকরা কবে যে তাদের যথাযথ মূল‍্য পাবে সত‍্যি কারো জানা নেই।অন্তত এবার তাদের কথা ভাবা হোক,না হলে এই শিক্ষিত যুবকরা হারিয়ে যাবে অন্ধকারের গভীর জলে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *