নিরাপত্তা নিয়ে ফের উঠল প্রশ্ন?আলিপুর চিড়িয়াখানার খাঁচার ভেতর থেকে লক্ষাধিক টাকার পাখি চুরি গেল।

বিশেষ প্রতিবেদন,২৮ ফেব্রুয়ারি

গায়েব হল তিনটি বিরল প্রজাতির ধনেশ পাখি। ফের আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে চুরি গেল বন্যপ্রাণ। চুরি যাওয়ার পরেই চিড়িয়াখানার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করেছেন, এই চুরির ঘটনার সঙ্গে কোন পাচারচক্রের যোগ থাকতে পারে বলে অনুমান করছেন। কারণ চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছরই এই বিরল প্রজাতির পাখি গুলিকে উদ্ধার করা হয় পাচারকারীদের হাত থেকে। গতবছর বাংলাদেশ থেকে পাচার করে পাচারকারীরা এদেশে নিয়ে আসে এই বিরল প্রজাতির প্রাণী গুলোকে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি, পাখি সমেত পাচারকারীরা ধরা পড়ে বনদপ্তর এর হাতে। আর তারপরেই এই বিরল প্রজাতির পাখি (কিল বিলড টিউকান) গুলির স্থান হয় চিড়িয়াখানার জলহস্তির আব্বাসের সামনে পাখির খাঁচায়। চিড়িয়াখানা তরফে জানানো হয়েছে,” বৃহস্পতিবার সকালে চিড়িয়াখানার কর্মীরা খাবার দিতে গিয়ে দেখতে পায় খাঁচার মধ্যে আর পাখিগুলি নেই, খাঁচার নেট ছিল কাটা। অনুমান করা হয়েছে গতকাল রাত বারোটা থেকে সাড়ে বারোটার মধ্যে চুরি করা হয়েছে পাখিগুলি।”

district_06

পাখির খাঁচা থেকে ২৫ মিটার দূরেই এক নিরাপত্তারক্ষী চিড়িয়াখানা নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি কি করে কিছু দেখতে বা কোনও আওয়াজ শুনতে পেলেন না সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছেই। এমনকি ঘটনাস্থল থেকে কোন সিসিটিভি ফুটেজ এর রেকর্ডও পাওয়া যায়নি। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ ওয়াটগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। জানা গিয়েছে, চুরি যাওয়া পাখি গুলির বাজারমূল্য প্রায় ২৫ হাজার টাকা।

district_05

এটাই যে প্রথমবার তা নয়, ১২ বছর আগে ২০০৯ সালে এরকমই ঘটনা ঘটেছিল আলিপুর চিড়িয়াখানায়। পাচারকারীরা,সেবার রাতে চিড়িয়াখানার খাঁচার নেট কেটে চুরি করে নিয়ে গেছিল ব্রাজিলের জঙ্গলের খুদে বাঁদর গুলি কে। পরে যদিও গোয়েন্দা বিভাগ চুরি যাওয়া বাঁদর গুলি কে উদ্ধার করে বনদপ্তর এর হাতে তুলে দেয়।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *