ভারত মাতার এক বীর সন্তানের আত্মবলী হওয়ার কাহিনী।

বিশেষ প্রতিবেদন, ২৫ মার্চ

ভারতমাতার বীর সন্তানদের মধ‍্যে অন‍্যতম একজন হলেন ভগৎ সিং।স্বাধীনতা সংগ্ৰামে পরাধীনতার দেশ কে স্বাধীন ক‍রার জন‍্য ভগৎ সিং তার প্রান পর্যন্ত দিয়েছেন।১৯০৭ সালের ২৮ শে সেপ্টেম্বর এই বীর জন্ম গ্ৰহন করেছিলেন।১৯১১সালে যখন জালিয়ানাবাগ রক্তাক্ত হয়েছিলো, তখন তিনি মাত্র ১১ বছরের ছিলেন।ওই বয়সেই তার মধ‍্যে আগুন জ্বলে উঠেছিলো পরাধীনতা থেকে দেশকে স্বাধীন করার। জালিয়ানা বাগের রক্তাক্ত মাটিকে নিয়ে আসেন সঙ্গে করে।এবং প্রতিদিন সেই মাটিকে প্রনাম করতেন।তার ভিতরের আগুন কে সঠিক জায়গায় কাজে লাগিয়েছিলেন।তার পর স্বাধীনতা সংগ্ৰামে র জন‍্য নিজের প্রান উৎর্সগ করেন।ভগৎ সিং এর সঙ্গে যুক্ত হন বাংলার ও কিছু তরুন সংগ্ৰামী।

স্বাধীনতার জন‍্য লড়ার অপরাধে ইংরেজ সরকার ভগৎ সিং সহ আরো কয়েক জন বাঙালী সংগ্ৰামীদের গ্ৰেপ্তার করে।ভগৎ সিং আসলে ছোটো থেকে ইংরেজ অত‍্যাচার দেখে আসছেন।তিনি বুঝেছিলেন ইংরেজরা ভারত বাসীদের শুধুমাত্র শোষন করছেন,তাই ইংরেজদের শুধু প্রতিহত করলেই হবেনা তাদের কে এই দেশ থেকেও বিতাড়িত করতে হবে।জালিয়ানা বাগের হত‍্যার প্রতিবাদ ও স্বাধীনতার জন‍্য তিনি লড়াই করতে থাকেন।তিনি কোনো ভাবেই ইংরেজ দের কাছে নত হননি বরং অনশন করে জেলেই মৃত‍্যু বরন করেন।তার সঙ্গে থাকা সঙ্গীরাও অনশনে মৃত‍্যুকে হাসি মুখে বরন করেন।মাত্র২০ বছর বয়সে তার মৃত‍্যু হয়।তিনি হাসি মুখে মৃত‍্যু কে বরন করেন।তার এই আত্মবলী হ ওয়াকে প্রনাম জানাই।তার চরনে শতকোটি প্রনাম🙏।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *